রুটস প্রজেক্টঃ ইংল্যান্ডে বাংলাদেশীদের ইতিহাস সংরক্ষণ কাজে মিডিয়া পার্টনার হলো লন্ডন-এইদেশ ডটকম
লন্ডন-এইদেশ ডেস্ক , শনিবার, মার্চ ১৬, ২০১৩


নিউক্যাসল বাংলাদেশ ইয়থ অর্গেনাইজেশন নানান সাংস্কৃতিক কর্মকান্ডের সাথে প্রবাসের এই নিউক্যাসল সহ গোটা নর্থ ইষ্ট অব ইংল্যান্ডে বাংলাদেশীদের গোড়াপত্তন থেকে শুরু করে আদ্যাবধি পর্যন্ত অবস্থান, পরিক্রমা, ব্রিটিশ সমাজ, রাজনীতি, সংস্কৃতির সাথে মিলে-মিশে প্রবাসী বাংলাদেশী এবং নতুন প্রজন্মের বেড়ে উঠা, প্রতিষ্টা, প্রতি-পত্তি সহ সার্বিক অবস্থা কাব্য চিত্র ও একই সাথে লিখিত এবং নাটকের মাধ্যমে তুলে ধরে, তা আবার ব্রিটিশ আর্কাইভ ও নিউক্যাসল সিটির ডিসকভারী মিউজিয়ামে স্থায়ীভাবে সংরক্ষনের এক অনবদ্য এক ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ফলে আজ থেকে ২০-২৫ বা তারও পরে কোন এক জ্ঞান পিপাসু বাঙালি ঐতিহাসিক, গবেষক যখন এই সংক্রান্ত বিষয়ে কোন তথ্য সংগ্রহ করতে উৎসুক হবেন, তখন ডিসকভারী মিউজিয়াম থেকে অতি সহজে প্রবাসের এই নর্থে বাঙালির গোড়ার দিক থেকে প্রতিষ্ঠাকালিন সকল তথ্য অনায়াসেই পেয়ে যাবেন, যা ইতিহাসের এক অমূল্য দলিল হিসেবে সংগৃহিত হয়েই থাকবে অনাদি, অনন্তকাল। আর এই সুন্দর কাজটি সুচারুভাবে সম্পন্ন করেছে নিউক্যাসলের প্রতিভাবান তারুণ্য,তরুণ সাংবাদিক,নাট্যব্যক্তিত্ব মোহাম্মদ আলমগীরের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ইয়ুথ অর্গেনাইজেশন। আর এই কাজের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে প্রজেক্টটিকে সারা বিশ্বের বাংলা ভাষা-ভাসীদের কাছে সহজলভ্য ও প্রচারের কাজটি সম্পন্ন করেছে ব্রিটেনের জনপ্রিয় বাংলা চ্যানেল- চ্যানেল আই ইউরোপ এবং অনলাইন পত্রিকা লন্ড্ন-এইদেশ ডটকম।
সম্প্রতি নিউক্যাসলের ডিসকভারী মিউজিয়ামে বিইও-এর এই রুটস প্রজেক্ট এর কাজ হস্তান্তর উপলক্ষ্যে চ্যানেল আই ইউরোপের আমাদের খবরের বিশেষ শিরোনাম হয়ে দর্শক প্রিয়তা লাভ করে এই প্রজেক্টটি, যেখানে চ্যানেল আই নিউক্যাসল প্রতিনিধি মোঃ আলমগীরের বিইও-এর সেক্রেটারী মোহাম্মদ রুফন উদ্দীন, ডিসকভারী মিউজিয়ামের মিঃ পিটার, লন্ডন ডট এইদেশ ডট কম-এর সম্পাদক সৈয়দ শাহ সেলিম আহমেদ এর সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে এই প্রজেক্টটি সম্পন্নের সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে প্রবাসী সহ দেশ-বিদেশের বাঙা্লিদের অবহিত করায় সকলেই বিশেষ কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন।
চ্যানেল আই আমাদের খবরের সেই ভিডিও চিত্র- মোহাম্মদ আলমগীরের সৌজন্যে প্রাপ্ত-যা পর পর দুদিন চ্যানেল আইয়ের আমাদের খবরে প্রচারিত হয়

http://youtu.be/wPnVvXUDBxU

রুটস প্রজেক্টটি আর্থিকভাবে সহযোগিতা করেছেন ব্রিটেনের হ্যারিটেজ লটারী ফান্ড।